প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
যারা সব কিছুর শুরু করেছিলেন
এই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা ২০২৪ সালে সাস্ট ফিটনেস ক্লাবের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তাদের নিষ্ঠা, পরিশ্রম এবং দলগত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে একটি সমৃদ্ধ ক্যাম্পাস কমিউনিটি — যেখানে স্বাস্থ্য, শৃঙ্খলা এবং অন্তর্ভুক্তির মূল্যবোধ আজও প্রতিটি নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

আমিনুল হক
“সংখ্যা আর অনুশাসন — দুটোই এই ক্লাবের মাধ্যমে আমার জীবন গড়েছে।”

ফারজানা রহমান
“বিশ বছর টিকে থাকা প্রতিষ্ঠাকালীন নিয়মনীতি লেখা — কী এক সম্মান।”

জাহিদুল ইসলাম
“স্বাস্থ্যই সম্পদ — আর আমরা এই ক্যাম্পাসে তা প্রমাণ করেছি।”

সাবিনা ইয়াসমিন
“জুনিয়রদের প্রশিক্ষণ দেওয়া যেকোনো ক্লাসের চেয়ে আমাকে বেশি শিখিয়েছে।”

বেলায়েত হোসেন
“আমাদের ওয়েট র্যাকের অর্ধেক নিজের হাতে বানিয়েছি। এখনো টিকে আছে।”

অনিকা তাবাসসুম
“প্রথম সদস্য নিবন্ধনটা আমি একটা পুরনো স্প্রেডশিটে বানিয়েছিলাম।”

তোফাজ্জল হোসেন
“টিনের শেডের জিম থেকে পুরোদস্তুর সুবিধা — কী এক যাত্রা।”

মারজিয়া হাসান
“আমাদের প্রথম যন্ত্রকক্ষের তার সংযোগ — কী যে গর্ব ছিল।”

জাহাঙ্গীর আলম
“পরিচালনার বাজেট আর গণচাঁদা — সব আমরা একসাথে শিখেছি।”

সুমাইয়া বেগম
“প্রতিটি প্রতিষ্ঠাকালীন সিদ্ধান্ত আজকের নীতিতে এখনো প্রতিফলিত।”

আখতারুজ্জামান
“এখানে তৈরি বন্ধনগুলো ডিগ্রির চেয়েও বেশি টিকে আছে।”

রাশিদা খানম
“ফিরে দেখলে, সেই প্রথম দিনগুলো আমাকে দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যাভ্যাস দিয়েছে।”